সম্পদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
২০২৫-২৬ কর বছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, শামা ওবায়েদ ইসলাম-এর বার্ষিক মোট প্রদর্শিত আয় ২১,৮৯,০৭১ (একুশ লাখ উননব্বই হাজার একাত্তর) টাকা । এই আয়ের বিপরীতে তিনি মোট ৩,৫০,৭২১ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন । নথিপত্র অনুযায়ী তাঁর নিট সম্পদের (Net Wealth) পরিমাণ ১০,৫৬,০৫,৮০৬ টাকা । এছাড়া তাঁর স্বামীর নামেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পদ (১৭ কোটি ২০ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা) প্রদর্শিত হয়েছে, যা পারিবারিক স্বচ্ছতার প্রতিফলন।
শামা ওবায়েদ ইসলাম এর আয়ের উৎস ও পেশা
নির্বাচনী হলফনামা ও আয়কর নথিপত্রে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী তাঁর পেশা ও আয়ের বিবরণ নিম্নরূপ:
- আয়ের প্রধান খাত: তাঁর আয়ের প্রধান উৎস হলো বাড়ি ভাড়া এবং চাকরি। ২০২৫-২৬ কর বছরে বাড়ি ভাড়া থেকে তাঁর আয় ১২,৬০,০০০ টাকা এবং চাকরি থেকে ৭,৮৬,৬৬৭ টাকা । এছাড়া ব্যাংক সুদ থেকে ৪৬,৪০৪ টাকা এবং সম্মানী ভাতা বাবদ ৯৬,০০০ টাকা আয় দেখিয়েছেন।
- ঠিকানা ও অবস্থান: তাঁর বর্তমান ঠিকানা বাড়ি নং- ৩৮/বি, রোড নং- ১৮, ব্লক বি, বনানী, ঢাকা-১২১৩ তাঁর স্থায়ী ঠিকানা গ্রাম: লস্করদিয়া, থানা: নগরকান্দা, জেলা: ফরিদপুর । তিনি ফরিদপুর-২ নির্বাচনী এলাকার একজন প্রার্থী।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: তিনি ব্যাচেলর অফ সাইন্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
- পারিবারিক পরিচয়: তাঁর পিতার নাম মৃত এ. কে. এম. ওবায়দুর রহমান এবং মাতার নাম শাহেদা ওবায়েদ । তাঁর স্বামী মুস্তাজিরুল শোভন ইসলাম একজন ব্যবসায়ী।
অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বিবরণ
হলফনামা ও আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তাঁর সম্পত্তির বিস্তারিত হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
- অস্থাবর সম্পদ: শামা ওবায়েদ ইসলামের হাতে নগদ টাকা রয়েছে ২,৫২,৫১,৮৯৪ টাকা এবং ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩০,৩৩,৯১২ টাকা । তাঁর একটি জিপ গাড়ি রয়েছে যার অর্জনকালীন মূল্য ৩০,০০,০০০ টাকা এবং তাঁর ৫০ তোলা স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে । এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানিতে তাঁর ৫০,০০,০০০ টাকার শেয়ার বিনিয়োগ আছে।
- স্থাবর সম্পদ: তাঁর নিজ নামে ৬,৯৩,২০,০০০ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি ও বাড়ি সম্পদ রয়েছে।
- দায় ও ঋণ: হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর ব্যক্তিগত বা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে কোনো ঋণ বা দায়বদ্ধতা নেই।
- স্বচ্ছতা: তিনি একজন নিয়মিত করদাতা। তাঁর টিআইএন (TIN) নম্বর ৫১৮৭৭৩২৫৮২৮৭ এবং তিনি ই-রিটার্নের মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে তাঁর আয় ও সম্পদের বিবরণ দাখিল করেছেন।
মামলা ও আইনি অবস্থা
হলফনামার ঘোষণা অনুযায়ী, শামা ওবায়েদ ইসলামের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১টি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে । তবে অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ১৭টি মামলা ছিল, যার সবকটি থেকেই তিনি খালাস পেয়েছেন, অব্যাহতি পেয়েছেন অথবা মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে । তিনি হলফনামায় তাঁর যাবতীয় তথ্য সত্য ও নির্ভুল বলে শপথ করেছেন।