নাহিদ ইসলামের আর্থিক প্রোফাইল | Nahid Islam's Financial Profile

calendar_today

বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে মোঃ নাহিদ ইসলাম বর্তমানে দেশের রাজনীতির এক আলোচিত নাম। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৮৪, ঢাকা-১১ আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে তিনি যে হলফনামা ও আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তা থেকে তার আর্থিক অবস্থা ও আয়ের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। তরুণ এই নেতার সম্পদ ও জীবনযাত্রা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের প্রেক্ষিতে আজকের এই ব্লগটি সাজানো হয়েছে।

সম্পদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং ২০২৫-২৬ কর বর্ষের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, মোঃ নাহিদ ইসলামের মোট নিট সম্পদের পরিমাণ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। গত এক বছরে তার মোট প্রদর্শিত আয় ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা, যার বিপরীতে তিনি ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন। হলফনামার তথ্যমতে, তার নিজের নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বা বড় ধরনের ঋণের বোঝা নেই।

💼 Tax Consultant
আয়কর সংক্রান্ত পরামর্শ ও ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিটে সহযোগিতার জন্য...

মোঃ নাহিদ ইসলামের আয়ের উৎস কী?

নাহিদ ইসলামের আয়ের প্রধান উৎস বর্তমানে তার পেশা। হলফনামায় তিনি নিজেকে একজন "পরামর্শক" (Consultant) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর আগে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আয়ের মূল ক্ষেত্রগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • পরামর্শক ফি ও সম্মাননী: গত এক বছরে তিনি পরামর্শক হিসেবে কাজ করে এবং সরকারি দায়িত্ব পালনকালীন সম্মানী বাবদ ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ টাকা আয় করেছেন।
  • নগদ ও ব্যাংক জমা: নাহিদ ইসলামের হাতে বর্তমানে নগদ ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে। এছাড়া সোনালী ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখায় তার ব্যাংক জমার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা।

অস্থাবর ও অন্যান্য সম্পদ

নাহিদ ইসলামের অস্থাবর সম্পদের একটি বড় অংশ হলো তার স্বর্ণালঙ্কার ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী। হলফনামা অনুযায়ী তার সম্পদের বিবরণ নিম্নরূপ:

  • স্বর্ণালঙ্কার: তার নিজের নামে অর্জনকালীন মূল্যে ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।
  • ইলেকট্রনিক্স ও আসবাবপত্র: তার ব্যবহারের জন্য ১ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
  • স্থাবর সম্পদ ও দায়: তার নিজের নামে কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি এবং বাড়ির তথ্য হলফনামায় পাওয়া যায়নি। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ঋণমুক্ত হলেও তার স্ত্রীর নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি ঋণ রয়েছে।
Share to:

CATEGORIES:

Popular Posts