
শেরপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল মুখ মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। পেশায় ব্যবসায়ী এই ব্যক্তির ২০২৫-২৬ কর বছরের আয়কর রিটার্ন এবং নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করলে তাঁর অর্জিত সম্পদ ও আর্থিক স্বচ্ছতার এক বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যায়। এই ব্লগে আমরা মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ-এর পেশা, বার্ষিক আয় এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের সঠিক তথ্য পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরবো।
সম্পদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
২০২৫-২৬ কর বছরের অফিসিয়াল আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ-এর বার্ষিক মোট প্রদর্শিত আয় ৬,০০,০০০ টাকা। এই আয়ের বিপরীতে তিনি ২০,০০০ টাকা আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন। নথিপত্র অনুযায়ী তাঁর নিট সম্পদের (Net Wealth) পরিমাণ ৪৩,৫০,০০০ টাকা।
মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ-এর আয়ের উৎস
নির্বাচনী হলফনামা ও আয়কর নথিপত্রে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিবরণ নিম্নরূপ:
- পেশা: তিনি বর্তমানে পেশায় একজন ব্যবসায়ী।
- আয়ের প্রধান খাত: তাঁর আয়ের প্রধান উৎস হলো ব্যবসা, যা থেকে বার্ষিক ৬ লাখ টাকা আয় প্রদর্শিত হয়েছে।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি (M.Sc)।
- পারিবারিক তথ্য: তাঁর পিতার নাম মোঃ আবুল কাশেম এবং মাতার নাম রেজিয়া বেগম। তাঁর স্ত্রী রুকাইয়া বিনতে সেলিম পেশায় একজন চিকিৎসক।
অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বিবরণ
হলফনামা ও আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ-এর সম্পত্তির বিশদ বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
- অস্থাবর সম্পদ: তাঁর নিজ নামে নগদ অর্থ রয়েছে ১২,২৩,৩১০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১,২৬,৬৯০ টাকা। এছাড়াও ১২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্র তাঁর অস্থাবর সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।
- স্থাবর সম্পদ: হলফনামা অনুযায়ী তাঁর নিজ নামে কোনো কৃষি বা অকৃষি জমির তথ্য পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়নি, তবে তাঁর মোট নিট সম্পদ ৪৩.৫ লাখ টাকা প্রদর্শিত হয়েছে।
- স্ত্রীর সম্পদ: তাঁর স্ত্রীর নামে ৯,৬০,২৭৬ টাকা নগদ এবং ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৫০,০০,০০০ টাকা।
- ঋণ ও দায়: হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ-এর নিজের বা পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ব্যাংক ঋণ বা অন্য কোনো আর্থিক দায় নেই।
আইনি ও মামলার বিবরণ
মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ-এর বিরুদ্ধে অতীতে মতিহার, বাড্ডা ও ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন থানায় মোট ৫টি ফৌজদারি মামলা ছিল। তবে হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তিনি প্রতিটি মামলা থেকেই আইনগতভাবে খালাস বা অব্যাহতি পেয়েছেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সক্রিয় মামলা নেই।